শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০১৫

http://uttarhowlahighschool.blogspot.com/?m=1

http://uttarhowlahighschool.blogspot.com/?m=1

Mee

Mee

Well done Tigers! 329+

The highest total for Bangladesh in ODIs!
Well done Tigers! 329+++ Pakistan nedd 330

Meee

Meeeeeeee

Me

My photo

মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০১৫

https://m.facebook.com/?hrc=1&_rdr#!/abdulmalek.shuvo.1?ref=bookmark

https://m.facebook.com/?hrc=1&_rdr#!/abdulmalek.shuvo.1?ref=bookmark

বৃহস্পতির চাঁদে লুকানো সাগর!

হাবল টেলিস্কোপ ব্যবহার করে
সৌরজগতের সবচেয়ে বড় গ্রহ বৃহস্পতির
গ্যানিমিড উপগ্রহপৃষ্ঠের নিচে
লুকানো সাগরের সন্ধান পেয়েছেন
বিজ্ঞানীরা। গ্যানিমিডের পৃষ্টের
নিচে নোনা পানির সাগরের
অস্তিত্ব সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা আঁচ
করেছিলেন ৪ দশক আগেই। এবার হাবল
টেলিস্কোপে পর্যবেক্ষণ করে
পাওয়া ডেটা থেকে মিলেছে তার
প্রমাণ।
টানা ৭ ঘন্টা করে দুবারে মোট ১৪
ঘন্টা ধরে হাবল টেলিস্কোপের
মাধ্যমে গ্যানিমিডের অতি-বেগুনী
রশ্মী পর্যবেক্ষণ করেন নাসার
বিজ্ঞানীরা। বৃহস্পতির ওই ‘চাঁদের’
চৌম্বকক্ষেত্রের উপস্থিতি আগেই
চিহ্নিত করেছিল নাসার
‘অবসারপ্রাপ্ত’ স্পেসক্রাফট
গ্যালিলিও। তবে গ্যানিমিডের উপর
বৃহস্পতির চৌম্বকক্ষেত্রের প্রভাবই
বেশি।
বৃহস্পতির নিজ কক্ষপথে আবর্তন, আর
গ্রহটিকে ঘিরে গ্যানিমেডের
আবর্তন বিশ্লেষণ করে বিজ্ঞানীরা
নিশ্চিত হন বৃহস্পতির চৌম্বকক্ষেত্রের
বিপরীতে কাজ করছে আরেকটি
চৌম্বকক্ষেত্র।
এরপর বাকি উত্তর মিলেছে
কম্পিউটার মডেল থেকে।
গ্যানিমিডের ভূপৃষ্টের নিচে
লুকিয়ে আছে নোনা পানির সাগর।
আর নোনা পানির হওয়ার যা
‘ইলেকট্রিকালি কনডাকটিভ’।
বৃহস্পতির চৌম্বকক্ষেত্রের টানে
গ্যানিমিডের অরোরা সরার কথা ৬
ডিগ্রি করে। কিন্তু নোনা পানির ওই
সাগরের কারণে ২ ডিগ্রি হারে
সরছে গ্যানিমিডের অরোরা।
আরও প্রায় একশ’ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ
করে গ্যানিমিডে সাগরের
উপস্থিতিই সবচেয়ে যৌক্তিক
প্রমাণিত হয় বলে জানিয়েছেন
জার্মানির ইউনিভার্সিটি অফ
কোলোন-এর গবেষক এবং এই প্রকল্পের
প্রধান জোয়াকিম স’র।
কম্পিউটার মডেল থেকে পাওয়া তথ্য
অনুযায়ী, পৃথিবীপৃষ্ঠে যে পরিমাণ
পানি আছে তার চেয়েও বেশি
পানি আছে গ্যানিমিডের লুকানো
সাগরে। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন
গ্যানিমিডের ওই সাগর ৬০ মাইল
গভীর যা পৃথিবীর সাগরের গভীরতম
অংশের চেয়েও ১০ গুণ বেশি। প্রায়
৯৫ মাইল পুরু বরফের স্তরের নিচে
চাপা পরে আছে ওই সাগর।

মঙ্গলে অপারচুনিটির ম্যারাথন পার

পৃথিবীর বাইরে কোনো পৃষ্ঠে
সবচেয়ে বেশি দুরত্ব ভ্রমণের রেকর্ড
গড়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা
প্রতিষ্ঠান ন্যাশনাল অ্যা্রোনেটিকস
অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনস্ট্রেশনের
(নাসা) মহাকাশযান ‘অপারচুনিটি’।
মঙ্গলবার মহাকাশযানটি মঙ্গলপৃষ্ঠে ৪২
কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে, যা
ম্যারাথনের দূরত্বের প্রায় সমান। এ
দূরত্ব অতিক্রম করতে যানটির সময়
লেগেছে ১১ বছর ২ মাস।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এক
প্রতিবেদনে জানিয়েছে, এই
প্রথমবার কোনো মহাকাশযান
ম্যারাথনের দূরত্ব অতিক্রম করল।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায়
অবস্থিত নাসার জেট প্রোপালশন
ল্যাবরেটরির (জেপিএল) অপারচুনিটি
প্রজেক্ট প্রধান জন ক্যালাস বলেন, “এই
প্রথমবার মানুষের তৈরি কোনো যান
পৃথিবীর বাইরের কোনো পৃষ্ঠে
ম্যারাথনের দূরত্ব অতিক্রম করল।”
এর পৃথিবীর বাইরে কোনো পৃষ্ঠে
সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রমের
রেকর্ড ছিল রাশিয়ান মহাকাশযান
লুনোখোদ ২-এর দখলে। এবার ওই রেকর্ড
ভেঙ্গে তালিকার শীর্ষে এলো
অপারচুনিটি।
অপারচুনিটি মিশনের প্রধান গবেষক
যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটির
অধ্যাপক স্টিভ স্কুয়েরেস বলেন, এ
মিশনের উদ্দেশ্য সর্বোচ্চ দূরত্ব রেকর্ড
গড়া না হলেও মঙ্গলপৃষ্ঠে ম্যারাথন
দূরুত্ব অতিক্রম করা অবশ্যই বড় কিছু।
২০০৪ সালের ২৫ জানুয়ারি মঙ্গলে
অভিযান শুরু করে অপারচুনিটি।

নক্ষত্রের সৃষ্টি দেখলেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা

নক্ষত্রের সৃষ্টি পর্যবক্ষেণ করতে
পেরেছেন জ্যোতিবির্জ্ঞানীরা।
নক্ষত্র সৃষ্টির এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া
দেখতে দুটি রেডিও টেলিস্কোপের
ব্যবহার করেছেন তারা।
এক প্রতিবেদনে সংবাদমাধ্যম
বিবিসি জানিয়েছে, ১৯৯৬ সালে
নক্ষত্রটির সৃষ্টি প্রক্রিয়া শুরু হলে
রেডিও টেলিস্কোপে তা ধরা পড়ে
এবং ১৮ বছর পর পৃথক আরেক রেডিও
টেলিস্কোপের সাহায্যে নতুন
নক্ষত্রটির সৃষ্টি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে
দেখেন বিজ্ঞানীরা।
নতুন এই নক্ষত্রটি পৃথিবী থেকে চার
হাজার দুইশ’ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত
এবং এটির চারপাশ গোলাকৃতির
ধুলার মেঘের আস্তরে ঘেরা বলেই
জানিয়েছে বিবিসি। সূর্যের
চেয়েও প্রায় তিনশ’ গুণ বেশি উজ্জ্বল
নতুন এ নক্ষত্রটির নাম দেয়া হয়েছে
W75N(B)-VLA2।
নক্ষত্রটির সৃষ্টি প্রক্রিয়া দেখার পর
ধারণা করা হচ্ছে, নক্ষত্র গড়ে ওঠার
সময় চৌম্বক ক্ষেত্র বড় ভূমিকা পালন
করেছিল। ২০০৯ সালে ভিন্ন এক
গবেষণা চলাকালীন জেআইভিই-এর
(জয়েন্ট ইন্সটিটিউট ফর ভিএলবিআই ইন
ইউরোপ) বিজ্ঞানীরা নক্ষত্রটির
বর্তমান অবস্থানের নিকটবর্তী
অঞ্চলে এক বৃহৎ চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের
খোঁজ পেয়েছিলেন যা নক্ষত্রটিকে
ঘিরে রেখেছিল।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা ধারণা
করছেন, ১৮ বছর আগে নক্ষত্রটির জন্মের
সময় যে বিস্ফোরণ ঘটেছিল সেটির
সঙ্গে এই বৃহৎ চৌম্বকীয় ক্ষেত্রের
সম্পর্ক রয়েছে।
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা আশা করছেন,
পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে নতুন নক্ষত্রটির
ক্রমাগত গড়ে ওঠা সম্পর্কে ভবিষ্যতে
আরও অনেক তথ্য জানা যাবে। এ
বিষয়ে প্রাপ্ত ফলাফল সায়েন্স
জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে বলে
জানিয়েছে বিবিসি।

প্রস্তুত নাসার ওরিয়ন স্পেসশিপ

বৃহস্পতিবার মহাকাশ যাত্রার জন্য
প্রস্তুতি শেষ নাসার নতুন ওরিয়ন
মহাকাশযানের। অভিযানে
পৃথিবীকে ঘিরে দুবার চক্কর দিয়ে
প্রশান্ত মহাসাগরে আছড়ে পরবে
ওরিয়ন। তবে এর মানে এই নয় যে,
প্রশান্ত মহাসাগরেই শেষ হবে ওরিয়ন
অধ্যায়। বৃহস্পতিবারের অভিযান
কেবলই টেস্ট ফ্লাইট, মূল লক্ষ মঙ্গল।
সিএনএন এক প্রতিবেদনে
জানিয়েছে, অনেক দৃষ্টিকোণ
থেকেই নাসার স্বর্ণযুগের অ্যাপলো
মিশনগুলোর কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে
ওরিয়ন। বৃহস্পতিবার ফ্লোরিডার কেপ
ক্যানেভেরাল থেকে স্থানীয় সময়
সকাল ৭টা ৫ মিনিটে প্রথম টেস্ট
ফ্লাইট যাত্রা শুরু হবে ওরিয়নের।
ভূ-পৃষ্ঠ থেকে ৩ হাজার ৬’শ মাইল
উচ্চতায় পৌঁছে পৃথিবীকে ঘিরে
দুবার চক্কর দেবে নাসার নতুন
মহাকাশযানটি। প্রথম অভিযানে
ওরিয়নে থাকছে না কোনো
নভোচারী। তবে নতুন মহাকাশযানটির
বদৌলতে ‘স্পেস রেসে’ পিছিয়ে
পড়া নাসা হারানো গতি ফিরে
পাবে বলে আশা প্রকাশ করেছে
সিএনএন।
টানা ২১ দিনের মিশনের উপযোগী
করে তৈরি করা হয়েছে ওরিয়ন। ৪
থেকে ৬ জন নভোচারী বহন করতে
পারবে মহাকাশযানটি। সরাসরি
তুলনা করলে নভোচারী বহনের ক্ষমতা
আর মিশনের সর্বোচ্চ সময়ের হিসেবে
অ্যাপলো ক্যাপসুলের থেকে দ্বিগুণ
ক্ষমতাধর ওরিয়ন।

শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৫

পরিবর্তন আসছে ফেসবুকে

বিশ্বের শীর্ষ সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকের
বর্তমান প্ল্যাটফর্মে বেশ কিছু
পরিবর্তন আসছে। এর ফলে ফেসবুক
ব্যবহারকারীদের ব্যক্তি ও
ব্যবসাকেন্দ্রিক যোগাযোগ
আরো সহজ হবে। ফেসবুকে আসন্ন
কয়েকটি পরিবর্তনের তালিকা
প্রকাশ করেছে সংবাদ সংস্থা
সিএনএন। লিখেছেন আহমেদ
ইফতেখার
ফেসবুকের আয়োজনে সম্প্রতি
যুক্তরাষ্ট্রের স্যান
ফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত
হয়েছে ‘এফ৮ ডেভেলপার্স
কনফারেন্স’। এবারের আয়োজনে
ফেসবুকের সহপ্রতিষ্ঠাতা মার্ক
জুকারবার্গ বেশ কিছু নতুন সেবা
চালু করার ঘোষণা দিয়েছে।
বিশ্বায়নের এ যুগে কোনো
সেবাই এককেন্দ্রিক থাকছে না।
ফেসবুকও এখন নিজস্ব সেবার
প্রসার বাড়াতে কাজ করছে।
সামাজিক যোগাযোগ খাতের
পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটি এখন
ইন্টারনেটের পুরো
ইকোসিস্টেমে আধিপত্য
বিস্তারের চেষ্টা করছে।
অচিরেই ফেসবুক ৩৬০ ডিগ্রি
ক্যামেরা প্রযুক্তিতে ধারণ করা
ভিডিও সাপোর্ট করবে।
স্ক্রিনে ক্লিক ও ড্র্যাগ করে
ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন
দৃষ্টিকোণ থেকে ওই
ভিডিওগুলো দেখতে পারবেন।
ফেসবুকের মেসেঞ্জার অ্যাপ ই-
কমার্স সাইটের অংশভুক্ত হচ্ছে।
ফলে ভবিষ্যতে ব্যবহারকারীরা
অনলাইনে কিছু কেনার পর
চাইলে সেই সাইটের
অ্যাকাউন্টের সাথে নিজের
ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি সংযুক্ত
করতে পারবেন। এতে ই-কমার্স
সাইটগুলো ব্যবহারকারী
অনলাইনে কী কিনছেন সে-
সংক্রান্ত নোটিফিকেশন
সরাসরি তার মেসেঞ্জার
অ্যাপে পাঠাতে পারবে।
যারা অনলাইন কেনাকাটায়
একের অধিক ই-মেইল পেতে পছন্দ
করেন না, তাদের জন্য এ সেবা
বেশ কাজে দেবে।
এখন ব্যবহারকারীরা চাইলেই
মেসেঞ্জার সচল রেখে
অ্যানিমেটেড জিফ-ক্রিয়েটর
‘জিফি’র মতো থার্ড পার্টি
অ্যাপ চালাতে পারবেন ও
সেগুলোর কনটেন্ট সরাসরি
মেসেঞ্জারের মাধ্যমে বন্ধুকে
পাঠাতে পারবেন। আগে এ কাজ
করতে হলে প্রথমে মেসেঞ্জার
বন্ধ করে, থার্ড পার্টি অ্যাপ
ওপেন করতে হতো এবং
ব্যবহারকারী যা পাঠাতে
চাচ্ছেন সেটি কপি করে ফের
মেসেঞ্জারে এসে তা
পাঠাতে হতো।
আগে ফেসবুকে ভিডিও আপলোড
করার পর ব্যবহারকারী সেটি
লিংক করা ছাড়া শেয়ার করতে
পারতেন না। ইউটিউবের বদলে
ব্যবহারকারীরা যাতে
নিজেদের ভিডিও ফেসবুকে
আপলোড করেন সে লক্ষ্যেই
ভিডিও এমবেড করার ফিচার
যোগ করা হবে।
ইউটিউবের মতো প্রতিষ্ঠানের
সাথে সরাসরি টেক্কা দিতেই
ভিডিও সেবায় পরিবর্তন আনছে
মার্কিন প্রতিষ্ঠানটি।
ফেসবুকের জানানো তথ্য মতে,
গ্রাহকেরা চাইলে তাদের
আপলোড করা ভিডিও পুরো
ইন্টারনেট ব্যবস্থায় শেয়ার
করতে পারবেন; অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট
গ্রাহকের ভিডিও সব ফেসবুক
গ্রাহক দেখতে পারবেন। কিন্তু
গ্রাহক চাইলে তার ভিডিওটি
শুধু বন্ধুদের সাথেও শেয়ার করতে
পারেন। ফেসবুকের নতুন সেবাটি
বিভিন্ন ব্র্যান্ড, সাংবাদিক ও
প্রকাশকদের জন্য ইতিবাচক হবে
বলেই মনে করা হচ্ছে।
অনলাইনের কোনো আর্টিক্যাল
বা পোস্টে কমেন্ট করলে তা
স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেসবুকে
দেখা যাবে। অনলাইন
কনটেন্টের সাথে মিডিয়া
প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পৃক্ততা
বাড়ানোর লক্ষ্যেই এ পদক্ষেপটি
নেয়া হয়েছে। বর্তমানে
ফেসবুকের বাজফিড,
এলিটডেইলি, দ্য হাফিংটন
পোস্ট ও ফক্স স্পোর্টস এই আপডেট
পরীক্ষা করে দেখছে।
ফেসবুক তাদের ডেভেলপারদের
জন্য অভিনব প্রোগ্রাম তৈরির
দরজা খুলে দিয়েছে। এর মাধ্যমে
বিভিন্ন ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ করা
সম্ভব হবে। এ সেবার মাধ্যমে
‘ইন্টারনেট অফ থিংস’ বা
আইওটির জগতে প্রবেশ করতে
চাইছে ফেইসবুক।
এ সেবায় ডেভেলপাররা ফ্রি
ড্যাশবোর্ডে নিজেদের অ্যাপ
সম্পর্কিত বিশ্লেষণ পাবেন। এতে
ডেভেলপাররা জানতে পারবেন
কারা তাদের অ্যাপ ব্যবহার
করছেন এবং ঠিক কোন
ডিভাইসগুলোতে তাদের
অ্যাপটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
ফেসবুকের মাধ্যমে জীবনসঙ্গী
বা সঙ্গিনী বেছে নিতে
‘লাভবুক’ নামের একটি অ্যাপ
ফেসবুকে আসছে। ২৩ বছর বয়সী এক
প্রোগ্রামার সিজে জেমস এ
অ্যাপটি তৈরি করেছেন তা এরই
মধ্যে সফলতা পাচ্ছে। লাভবুকে
ব্যবহারকারীরা প্রয়োজনীয় তথ্য
দিয়ে সদস্য হতে পারবেন।
কার্যকর ডেটিং হতে পারে বয়স,
পছন্দ, স্থান ইত্যাদির ভিত্তিতে।
পেপল-এর মাধ্যমে অর্থ প্রদানের
মাধ্যমে লাভবুকে নিজের
প্রোফাইল তৈরি করতে
পারবেন। ফেসবুক এ অ্যাপের জন্য
ক্যাম্পেইন করছে। অল্প কিছু
দিনেই ১০ হাজার ছাড়িয়ে
গেছে ব্যবহারকারীর সংখ্যা।
ফেসবুকের মাধ্যমে এটি এখন
লাখো কোটি মানুষের কাছে
পৌঁছে যাবে। এ অ্যাপটির
মাধ্যমে সবাই গতানুগতিক
ডেটিং অ্যাপের বাইরে কিছু
পাবে বলে আশা করছেন
বিশেষজ্ঞরা। লাভবুক তিনটি
প্যাকেজ অফার করছে। এর সাথে
জড়িত রয়েছে ফেসবুক। প্রথম
ডেটিংয়ে সফলতার পথে
এগোতে থাকবেন যারা তারা
পাঁচটি ‘লিড’ দেয়া হবে। এগুলো
ফেসবুকের লাইক বা মেসেজ
থেকেও পাওয়া যাবে। আবার
ডেটিংয়ের জন্য বিভিন্ন
গুরুত্বপূর্ণ টিপস পাওয়া যাবে
এতে। জেমস আশা করছেন, প্রতি
মাসে এ অ্যাপটি দুই হাজার
ব্যবহারকারী পাবে। আপাতত যে
অর্থ পাওয়া যাবে তা ব্যয় করা
হবে এর ক্যাম্পেইনে। চলতি
ক্যাম্পেইনগুলো বেশ সফলতা
পাচ্ছে। ব্যবহারকারীরা
অ্যাপটিকে নিজের পেজ
থেকে প্রমোট করলে তা বন্ধু
তালিকায় চলে যাবে।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের
বিশেষজ্ঞদের মতে,
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে
শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব সব
সেবার জোরালো ইকোসিস্টেম
তৈরি করছে। ইকোসিস্টেম
বলতে বোঝায় গ্রাহককে একই
প্রতিষ্ঠান কর্তৃক বিভিন্ন ধরনের
সেবা দেয়া। ফলে গ্রাহক
প্রতিদ্বন্দ্বী অন্য প্রতিষ্ঠানের
সেবা গ্রহণের বিষয়ে ভাবার
সুযোগ পান না বা প্রয়োজন অনুভব
করেন না। ফেসবুকও সামাজিক
যোগাযোগ, ইনস্ট্যান্ট
মেসেজিং, ফটো ও ভিডিও
শেয়ারিং, অর্থ হস্তান্তরসহ
অসংখ্য সেবার ইকোসিস্টেম
তৈরি করছে।

প্রোটিনের অভাবে ভুগছেন? সহজেই জানুন

দেহে প্রতিটি খাদ্য
উপাদানের প্রয়োজনীয়তা
রয়েছে। আপনি অনেক দ্রুত ওজন
কমাতে
চান বলেই খাদ্যতালিকা থেকে
ফ্যাট এবং কার্বোহাইড্রেট
ঝেড়ে পুছে বাদ দিতে পারেন
না।
তেমনই কোনো কারণে
খাদ্যতালিকা থেকে চাইলেই
কোনো একটি খাদ্যউপাদানও
বাদ
দিতে পারেন না। যদি কোনো
খাদ্য উপাদানে ঘাটতি পড়ে
তাহলে সেই উপাদানের
অভাবজনিত নানা রোগে ভুগতে
হবে আপনাকে। এবং দেহের
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাটিও
হারাতে হবে এর পাশাপাশি।
প্রোটিন আমাদের দেহের
মাংসপেশি গঠন, মস্তিষ্কের
উন্নয়নে
অনেক কার্যকরী। আপনার যদি
নিয়মিত সঠিক পরিমাণে
প্রোটিন খাওয়া না হয় তাহলে
প্রোটিনের ঘটতি জনিত নানা
সমস্যায় ভুগবেন আপনি যা
পরবর্তীতে মারাত্মক আকার
ধারণ
করতে পারে। তাই অবহেলা নয়
একেবারেই। কীভাবে বুঝবেন
আপনার দেহে প্রোটিনের
ঘটতি রয়ে যাচ্ছে? একটু নজর
করলেই ধরে ফেলতে পারবেন
বেশ ভালো করে। কারণ
প্রোটিনের ঘটতি হলে শরীরে
দেখা যায় নানা লক্ষণ। আসুন
জেনে চলুন জেনে নেওয়া যাক
লক্ষণগুলো ।
১. আপনি অতিরিক্ত মিষ্টি
জাতীয় খাবার খেতে থাকবেন
প্রোটিনের অন্যতম প্রধান কাজ
হচ্ছে দেহের সুগারের মাত্রা
নিয়ন্ত্রণে রাখা। যখন এর ঘাটতি
পড়বে আপনার দেহে তখন আপনার
মস্তিষ্কে সিগন্যাল যাবে
চিনি জাতীয় খাবার খাওয়ার
ব্যাপারে। আর প্রয়োজনের
তুলনায় একটু বেশিই মিষ্টি
খাবার খুঁজবেন আপনি।
২. মস্তিষ্ক ধোঁয়াটে লাগবে
রক্তে সুগারের সঠিক মাত্রা
আপনাকে একটি লক্ষ্য নির্দিষ্ট
করতে সহায়তা করে এবং দ্বিধা
ছাড়াই সিদ্ধান্ত গ্রহণের
ব্যাপারটিতে সাহায্য করে।
কিন্তু আপনার দেহে প্রোটিনের
অভাব
হলে সুগারের মাত্রা কমবে এবং
আপনার দ্বিধার মাত্রা বাড়বে।
এছাড়াও প্রোটিনকে বলা হয়
মস্তিষ্কের খাদ্য। যখনই এ
ব্যাপারে ঘাটতি পড়বে আপনার
মস্তিষ্ক স্বাভাবিক কাজ করতে
বাঁধাগ্রস্থ হবে।
৩. অতিরিক্ত চুল পড়তে থাকবে
প্রোটিন চুলের ফলিকল মজবুত
করতে সহায়তা করে। যখন
অতিরিক্ত হারে চুল পড়তে
থাকবে তখন বুঝবেন আপনার চুলের
ফলিকল দুর্বল হয়ে পড়েছে যার
অন্যতম প্রধান কারণ
দেহে প্রোটিনের অভাব।
৪. দুর্বলতা অনুভব করা
আমরা সকলেই জানি প্রোটিন
আমাদের দেহ গঠনের জন্য অত্যন্ত
জরুরী মাংসপেশি
গঠনের মূল উৎস। আপনি যখন
প্রোটিনের অভাবে ভুগবেন তখন
আপনার মাংসপেশিতে
ঢিলে ভাব চলে আসবে এবং
আপনি কোনো ধরণের পরিশ্রম
ছাড়াই দুর্বলতা অনুভব করতে
থাকবেন।
৫. বারবার অসুস্থ হয়ে পড়া
দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
বৃদ্ধিতে প্রোটিন অনেক বড়
ভূমিকা পালন করে থাকে। যখন
এই প্রোটিনের ঘাটতি হয় দেহে
তখন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে
আসে। যার ফলে
ছোটোখাটো অসুস্থতা লেগেই
থাকে। সুতরাং এইসকল ব্যাপারে
সতর্ক দৃষ্টি রাখুন।

মস্তিষ্কের ক্ষতি করে যে খাবারগুলো

কিছু খাবার এত সুস্বাদু যে যতই
খাওয়া হোক, তৃপ্তি যেন
মেটে না৷ কিন্তু সব খাবার
তৃপ্তি মিটিয়ে খেলে
উপকারের চেয়ে ক্ষতির আশঙ্কাই
বেশি৷ বিজ্ঞানীরা
দেখেছেন, জনপ্রিয় পাঁচটি
খাবার একটু বেশি খেলে
মস্তিষ্কের জটিল রোগও হতে
পারে৷
গোস্ত অনেকেরই প্রিয়৷ গরু বা
খাসির গোস্ত, চিকিৎসকরা
যেগুলোকে ‘রেড মিট’ বলেন,
সেগুলো তো কারো
কারো প্রতিদিনের খাবার৷
এসব গোস্ত প্রতিদিন তো নয়ই,
সপ্তাহে চারবারের বেশি না
খাওয়াই উত্তম৷ গবেষকরা বলছেন,
‘রেড মিট’ সপ্তাহে চারবারের
বেশি খেলে আলঝাইমারের
ঝুঁকি বাড়ে৷
গরু ও খাসির গোস্ত
দিনে এক চা চামচের পরিমাণ
মাখন খাওয়া যেতে পেরে
কিন্তু এর বেশি হলেই বিপদ৷
গবেষকরা বলছেন, মাখন বা
মাখনজাতীয় খাবার না খেয়ে
খাদ্য তালিকায় অলিভ অয়েল
যোগ করা সবচেয়ে নিরাপদ৷
তাহলে মস্তিষ্কের রোগের
আশঙ্কা খুব একটা থাকবে না৷
মাখন বেশি খেলেও মহাবিপদ
পনির খুব সুস্বাদু৷ মস্তিষ্কের জটিল
রোগ আলঝাইমার থেকে দূরে
থাকতে চাইলে সপ্তাহে মাত্র
একবার পনির খেতে হবে৷
বেশি খেলে পনিরও ক্ষতিকর
তেলে ভাজা খাবার এমনিতেই
নানা রোগের কারণ৷ ফাস্টফুডও
তাই৷ এ ধরণের খাবার
ডাক্তাররা এমনিতেই কম খেতে
বলেন৷ আলঝাইমারের ঝুঁকি আছে
এমন লোকদের তো এসব থেকে
নিরাপদ দূরত্বে থাকতেই হবে৷
তেলে ভাজা এবং ফাস্টফুড
মিষ্টি জাতীয় খাবার বেশি
খেলেও স্বাস্থ্যের ক্ষতি৷
ডায়াবেটিসের রোগীদের
জন্য তো মিষ্টি একেবারেই
নিষেধ, অন্যদেরও উচিত মিষ্টি
কম খেয়ে মস্তিষ্কটাকে নিরাপদ
রাখা৷ বেশি মিষ্টি খাচ্ছেন?
তাহলে আলঝাইমারের সঙ্গে
কিন্তু আপনার দূরত্ব কমছে!
পেস্ট্রি এবং অন্যান্য মিষ্টি
খাবার
সূত্র : ডয়চে ভেল

গ্যাসট্রিক থেকে দূরে থাকতে...

জীবনে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায়
ভোগেননি- এমন লোকের
সংখ্যা খুবই কম। যদি কিছু নিয়ম
মেনে চলা যায় তবে এই সমস্যা
থেকে দূরে থাকা যাবে।
জেনে নিন তেমনি কিছু টিপস-
আপনি তিন বেলার খাবারকে
ভাগ করে ছয়বার খান৷ তেলে
ভাজা খাবার, অতিরিক্ত ঝাল,
চর্বি, মসলা, মিষ্টি, অর্থাৎ যেসব
খাবার হজম করতে সমস্যা হয়,
সেগুলো খাবার তালিকা
থেকে আস্তে আস্তে কমিয়ে
দিয়ে হালকা খাবার খান৷
যেমন- আপনার খাবারের
তালিকায় থাকতে পারে মাছ,
অল্প মাংস, সবজি, আলু ইত্যাদি৷
এছাড়া খালি পেটে ফলের রস
বা টক জাতীয় খাবার
একেবারেই নয়৷
তিন বেলার খাবার ছয় বেলায়
খান
পরিমাণে অল্প খাবার একটু
ধীরে ধীরে ভালো করে
চিবিয়ে খান৷ দুপুরে খাওয়ার পর
পরই ঘুমানো উচিত নয় কারণ এতে
খাবার আবার পাকস্থলীতে
ফিরে আসতে পারে৷ বরং হাতে
সময় থাকলে খাবার পর একটু হাঁটা
যেতে পারে, যা খাবার হজম
এবং মলত্যাগে সহায়তা করে
থাকে৷
খাবার উপভোগ করুন
পিপাসা মেটাতে পানি এবং
হালকা চা পান করতে পারেন৷
তবে দিনে কম পক্ষে দুই লিটার
পানি পান করা উচিত, যাতে
খাবার পাকস্থলীতে ভালো
করে মিশে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর
করতে পারে৷ কফি বা
অ্যালকোহল যতটা সম্ভব কম পান
করলেই ভালো৷ তবে শুধু খাবার
নয়, পানি পান করার দিকেও
কিছুটা গুরুত্ব দিতে হবে৷
বুঝে পান করুন
খুব টাইট জিন্স বা কোমরের বেল্ট
বেশি টাইট করে বাঁধবেন না৷
কারণ টাইট বেল্ট পেটে চাপ
দেয়, যার ফলে টক ঢেকুর উঠতে
পারে৷ কাজেই একটু আরামদায়ক
বা একটু ঢিলে কাপড়-চোপড় পরাই
স্রেয়৷
ঢিলেঢালা পোশাক
‘হাঁটা-চলার কোনো বিকল্প
নেই’– এ কথা কম-বেশি আমরা
সকলেই জানি৷ অতিরিক্ত ওজনের
কারণে পেটে চাপ পড়ে এবং
হাঁটাচলা না করায় মলত্যাগ
করার পথে বাঁধা সৃষ্টি হয়৷
তাছাড়া পেটে খাবার জমে
থাকা মানেই অস্বস্তি বোধ
এবং সে কারণে ওজন কমানো বা
ওজন ঠিক রাখাও সম্ভব হয় না৷
ব্যায়াম এবং হাঁটাচলা করলে
শরীর থাকে হালকা থাকে,
অন্ত্রও থাকে সক্রিয় আর গ্যাসও
হয় কম৷
নিয়মিত হাঁটাচলা করুন
গ্যাসট্রিকের সমস্যা সাধারণত
রাতে বেলায় হয়৷ তাই
বালিশটা একটু উঁচু করে এবং
শরীরের ওপরের দিকটাও একটু
উঁচুতে তুলে ঘুমাবেন৷ এতে
গ্যাসট্রিক অ্যাসিড ওপরে উঠতে
পারে না৷ বাঁদিকে কাত হয়ে
ঘুমালেও পেটে চাপ কম পড়ে৷
তাছাড়া রাতের খাবার
ঘুমাতে যাওয়ার তিন ঘণ্টা আগে
খেলে খাবার হজম করতে আর
কোনো সমস্যা হয় না৷
বালিশটা একটু উঁচু করে ঘুমাবেন
ডাক্তারি ভাষায় টক খাবার
বলতে বোঝায় মুরগির গোস্ত,
মাছ, ভাত, মসুরের ডাল ইত্যাদি৷
এ ধরনের খাবার খাওয়ার পর
অ্যাসিড হতে পারে৷ তাই আলু,
রুটি, সিম, মটরশুটি, মুগের ডাল,
কলাইয়ের ডাল ইত্যাদি খাবার
‘টক’ খাবারের সাথে মিশিয়ে
খেলে গ্যাস্টিকের সম্ভাবনা
অনেক কমে যায়৷ এছাড়া
প্রতিদিন খাবারের তালিকায়
সামান্য আলু সেদ্ধ বা আলুর
তরকারি থাকতে পারে৷ আঁশযুক্ত
খাবারের কথা অবশ্যই মাথায়
রাখতে হবে৷
আঁশযুক্ত খাবার
‘‘স্ট্রেস বা মানসিক চাপের
সাথে রয়েছে পেটের ঘনিষ্ঠ
সম্পর্ক৷ তাই যে কোনো সংঘাত
এড়িয়ে যতটা সম্ভব ‘স্ট্রেস’
থেকে নিজেকে মুক্ত রাখার
চেষ্টা করুন৷ হালকা খাবার,
যথেষ্ট হাঁটাচলা, কিছুটা
বিশ্রাম – এভাবেই পেট বা
অন্ত্রকে রক্ষা করতে,
গ্যাসট্রিককে প্রতিরোধ করতে
পারেন৷’’ এ পরামর্শ কোলনের
ইন্টারনাল মেডিসিনের
বিশেষজ্ঞ ডা. ইয়োর্গেন
স্ল্যুইটারের৷
স্ট্রেসকে দূরে রাখুন
স্ট্রেস বা মানসিক চাপের ফলে
পেটে অ্যাসিড প্রতিক্রিয়া
দেখা দেয়– সেকথা আমরা
অনেকেই জানি৷ স্ট্রেসের
কারণে অনেকে ধূমপান করেন৷
কিন্তু নিকোটিন অন্ত্রের
খাবার মলদ্বারের রাস্তায় যে
পথ দিয়ে যায়, সেটিকে দুর্বল
করার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলে৷
এছাড়া স্ট্রেস হরমোন হজম
শক্তিকে নিয়ন্ত্রণ করে৷ শরীরের
ভারসাম্য রক্ষায় অসুবিধার
কারণে পেটে অ্যাসিড উৎপাদন
হয়, কাজেই আর ধূমপান নয়!
ধূমপান নয়!
হাঁপানি, হৃদরোগ, জন্ম নিরোধ
ট্যাবলেট বা ব্যথার ওষুধ সেবন
থেকেও গ্যাসট্রিক হতে পারে৷
তাই যারা এরকম ওষুধ সেবন করেন
তাদের গ্যাসট্রিকের সমস্যা
দেখা দিলে সেকথা সরাসরি
ডাক্তারকে বলুন৷ কখনো
গ্যাস্ট্রিক হয়নি এমন মানষ খুঁজে
পাওয়া কঠিন৷ কারুর হঠাৎ করে এ
সমস্যা দেখা গেলে, বুঝতে হবে
যে হয় অতিরিক্ত খাওয়া বা
দেরিতে খাওয়া বা ভুল
খাওয়ার কারণে এমনটা হয়েছে৷

ফেসবুকের নিরাপত্তায় এখনই মুছে ফেলুন এই তথ্যগুলো

আমরা সবাই চাই আমাদের ফেসবুককে নিরাপদ রাখতে। কিন্তু অনেক বিশয় আছে, যা মেনে না চলার কারণে আমাদের ফেসবুক হতে পারে অন্য কারো। কিছু জিনিস অবশ্যই...