মঙ্গলবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৭

"Love You Like A Love Song"


"Love You Like A Love Song"
[Verse 1]
It's been said and done
Every beautiful thought's been already sung
And I guess right now here's another one
So your melody will play on and on, with the best of 'em
You are beautiful, like a dream come alive, incredible
A centerfold, miracle, lyrical
You saved my life again
And I want you to know baby

[Chorus]
I, I love you like a love song, baby
I, I love you like a love song, baby
I, I love you like a love song, baby

And I keep hitting re-peat-peat-peat-peat-peat-peat

I, I love you like a love song, baby
I, I love you like a love song, baby
I, I love you like a love song, baby

And I keep hitting re-peat-peat-peat-peat-peat-peat

[Verse 2]
Constantly, boy, you played through my mind like a symphony
There's no way to describe what you do to me
You just do to me, what you do
And it feels like I've been rescued
I've been set free
I am hypnotized by your destiny
You are magical, lyrical, beautiful
You are...
And I want you to know, baby

[Chorus]
I, I love you like a love song, baby
I, I love you like a love song, baby
I, I love you like a love song, baby

And I keep hitting re-peat-peat-peat-peat-peat-peat

I, I love you like a (love song, baby) love song, baby
I, I love you like a (love song, baby) love song, baby
I, I love you (I love you, I love you) like a love song, baby

And I keep hitting re-peat-peat-peat-peat-peat-peat (like a love song)

[Bridge]
No one compares
You stand alone, to every record I own
Music to my heart that's what you are
A song that goes on and on

[Chorus]
I, I love you like a love song, baby
I, I love you like a love song, baby
I, I love you like a love song, baby

And I keep hitting re-peat-peat-peat-peat-peat-peat

I, I love you like a love song, baby
I, I love you like a love song, baby
I, I love you like a love song, baby

I love you... like a love song...

রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭

My Birthday Celebration And Participate Thanks A Lot Of My All Friends

অনেক অনেক ধ্যনবাদ কলিজার প্রিয় বন্ধুরা আমার জম্মদিন Celebration And Participate করার জন্য ।
অনেক অনেক ধন্যবাদ সকল শুভাকাঙ্খী যারা জম্মদিনে 🍔🎂 অনেক বন্ধু বান্ধব প্রিয় মানুষ গুলো   
তাদের জন্য রইল রক্তিম ভালোবাসা Wish করছেন

সোমবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৭

My Dreams : এই ২০ টি গুণের অধিকারী হয়ে থাকলে আপনি একজন বিরল মা...

My Dreams : এই ২০ টি গুণের অধিকারী হয়ে থাকলে আপনি একজন বিরল মা...: পৃথিবীতে সকলে একরকম হবে না আর সেটাই খুব স্বাভাবিক। কিন্তু হ্যাঁ, আমাদের সর্বদাই জানতে ইচ্ছে করে নিজের ব্যক্তিত্বের নানান রকমের বিষয় সম্পর্...

এই ২০ টি গুণের অধিকারী হয়ে থাকলে আপনি একজন বিরল মানুষ!

পৃথিবীতে সকলে একরকম হবে না আর সেটাই খুব স্বাভাবিক। কিন্তু হ্যাঁ, আমাদের সর্বদাই জানতে ইচ্ছে করে নিজের ব্যক্তিত্বের নানান রকমের বিষয় সম্পর্কে। আমরা কি খুব গড়পড়তা? নাকি দারুণ কেউ? নাকি আমাদের কারো মাঝেই লুকিয়ে আছে বিচিত্র কোন জটিলতা? আজকের ফিচার তেমনই বিষয়ে। আজ আমরা জানবো বিরল চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী এক রকম ব্যক্তিত্বের ব্যাপারে।

বিচিত্র, জটিল এবং কোন না কোনভাবে দ্বন্দযুক্ত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য নিয়ে যাদের ব্যক্তিত্ব গড়ে ওঠে তাদের বলা হয়ে থাকে আইএনএফজে (INFJ)। বিরলতম এই চারিত্রিক বৈষিষ্ট্যের অধিকারী মানুষদের মাঝে প্রধানত চার ধরণের গুণাগুণ প্রকাশ পেয়ে থাকে। তারা হয়ে থাকেন অন্তর্মুখী ও প্রবল আবেগী ধরণের মানুষ যাদের মাঝে থাকে সবকিছুর সঠিক বিচার বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা। অন্যদিকে নিজের ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বা অনুমানশক্তির ওপরেও দারুণ দখল দেখা যায় তাদের।
সুইস সাইকোলোজিষ্ট ও সাইকোঅ্যানালিষ্ট কার্ল জুং (Carl Jung) তার ‘সাইকোলোজিক্যাল টাইপ’ বইতে মোট ১৬ ধরণের চারিত্রিক ধরণের কথা উল্লেখ করেছিলেন। যার মাঝে এই আইএনএফজে হলো সবচাইতে বিরলতম একটি চারিত্রিক ধরণ। ভাবছেন আপনি নিজেও এই বিরলতম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী কিনা? খুব সহজ ও স্পষ্ট এই বৈশিষ্ট্যগুলো মিলিয়ে নিন তবে।


১/ একেবারে ছেলেবেলা থেকেই আপনি অন্যরকম অথবা আলাদা বোধ করেন নিজেকে। পরিচিত গণ্ডির সকলের মাঝে থেকেও এমন অনুভূত হয় আপনার। যদিও আপনার অনেক বন্ধু রয়েছে, কিন্তু আপনি কখনোই তাদের মাঝে নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারেন না। কখনো কখনো আপনি মিথ্যা অভিনয় করেন যেন তারা আপনাকে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করেন।

২/ আপনি সত্যিকার অর্থেই মানুষের জীবন সম্পর্কে জানতে চান। এই জানতে চাওয়া মানে এই নয় যে, গেলো ছুটির দিনে তারা কী করেছেন অথবা সর্বশেষ কী কেনাকাটা করেছেন। আপনি তাদের জীবন সেই কথাগুলো জানতে চান, যা অন্য কেউ জানেন না। আপনার সামনে বসে থাকা মানুষটা আসলে কী ভাবছেন? সে আসলে অনেক অনুভব করছেন? মিথ্যা মুখোশ দ্বারা কেউ আপনাকে সহজে বোকা বানাতে পারেন না।

৩/ যে কোন কিছু নিয়েই অনেক আটঘাট বেঁধে পরিকল্পনা করার পরিবর্তে হালকাভাবে পরিকল্পনা করার দিকে অথবা একেবারেই কোন পরিকল্পনা না করার দিকেই আপনার আগ্রহ বেশী।

৪/ আপনার কাছে যখন কেউ তাদের ব্যক্তিগত জীবনের সমস্যা নিয়ে আসেন, আপনি নিজ থেকে কোন উপদেশ কিংবা মতামত দেন না। এর পরিবর্তে আপনি তাদেরকে সাহায্য করার জন্য এবং আরও ভালোভাবে বোঝার জন্য প্রশ্ন করেন, তাদের অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান এবং তাদের অনুভূতি বোঝার চেষ্টা করেন। মাঝে মাঝে তাদের অবস্থার সাথে মিল আছে এমন কোন ঘটনা তাদেরকে বলেন, যা আপনার জীবনে ঘটেছিল। আপনি অনুভব করতে পারেন যে, তাদের কোন পথ বেছে নেওয়া উচিৎ। কিন্তু আপনি কখনো চান না আপনার উপদেশের কারণেই তারা সেই পথটি বেছে নিক। কারণ, আপনি চান এটা তাদের নিজের সিদ্ধান্ত হোক।

৫/ আপনি একইসাথে অনেক বেশী চুপচাপ ও অন্তর্মুখী, অন্যদিকে আনন্দ-উল্লাস করতেও পছন্দ করেন। এই সকল কিছুই নির্ভর করে আপনার মনের অবস্থা, ইচ্ছা, শক্তি এবং সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হলো কাদের সাথে আপনি থাকবেন তার উপরে।

৬/ আপনি একা থাকতে পছন্দ করেন, কিন্তু খুব বেশী সময়ের জন্য একা থাকাও আপনার জন্য সম্ভব নয়। দিনশেষে আপনাকে ঠিকই ‘আপন মানুষ’-দের সাথে আবারো মিশতে হয়। এই ‘আপন মানুষ’ হলেন তারা, যারা আপনার খুব ভালো বন্ধু এবং আপনাকে বুঝতে পারেন। তাদের সাথে গভীর কথাবার্তাগুলো হয় একেবারে অমূল্য। একইসাথে তাদের সাথে সময় কাটালে মানসিক শক্তি বেড়ে যায় অনেকখানি।

৭/ যারা বারবার কষ্ট দেয়, তাঁদেরকে জীবন থেক আজীবনের জন্য বাদ দিয়ে দেওয়ার প্রবণতা রয়েছে আপনার মাঝে। কিন্তু ব্যাপারটা এমন নয় যে, জীবন থেকে এমন মানুষদের সরিয়ে দিতে আপনি আনন্দ পান। বরঞ্চ এমনটা আপনাকে করতে হয় নিজেকে রক্ষা করার তাগিদেই! বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে যে আপনি খুব শক্ত মানসিকভাবে। কিন্তু ভেতরে ভেতরে আপনি খুব বেশী স্পর্শকারত একজন মানুষ। বিশেষ করে অন্য মানুষের নেতিবাচক কথা ও কাজ আপনার উপরে খুব সহজেই প্রভাব ফেলে থাকে।

৮/ মাঝে মাঝে আপনি অন্যকে খুশি ও সুখী করার জন্য এতো বেশী চেষ্টা করেন যে, নিজের খুশি ও আনন্দের ব্যাপারে একেবারেই ভুলে যান!

৯/ আপনি খুব সূক্ষ্মভাবে অনুভব করতে পারেন কেউ কেমন বোধ করছেন এবং আপনি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন যে তার কী প্রয়োজন আপনি জানেন! হ্যাঁ, সবসময় আপনি একদম সঠিক হন না। তবে বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আপনার ধারণা মিলে যায়।

১০/ আপনি বিশ্বাস করেন যে, ধরা-বাঁধা কাজকর্ম করার চাইতেও আপনি অনেক ভালো কিছু করার জন্য পৃথিবীতে এসেছেন। আপনি মানুষকে সাহায্য করতে চান এবং এই পৃথিবীটাকে একদম বদলে ফেলতে চান- শুধুমাত্র বেতনের একটি চেক পেতে চান না। সমস্যা হচ্ছে, আপনি নিজেও জানেন না যে সেই ‘বিশেষ উদ্দেশ্য’টা আসলে কী! আপনার ভেতরে সেই উদ্দেশ্যটা খোঁচালেও আপনি জানেন না কীভাবে সেটা অর্জন করা সম্ভব!

১১/ আপনি সবসময় অনুভব করেন যে জীবনে আপনার আরও অনেক ভালো কিছু করার রয়েছে। যার ফলে সবসময় নিজেকে আরো বেশি উন্নত করার মতো চেষ্টা করেন আপনি। যেমন: স্বাস্থ্যকর খাদ্য রান্না করা, নিজেকে আরও পরিপাটি ভাবে কীভাবে গুছিয়ে তোলা যায় ইত্যাদি শেখা। কখনো কখনো আপনি নিজেকে অনেক বেশী চাপ দেন একটি ‘পারফেক্ট’ জীবন পাওয়ার জন্য।

১২/ মাঝে মাঝে আপনি নিজেকে রক্ষা করার জন্য মানুষের মন যুগিয়ে চলা শুরু করে দেন। যেহেতু আপনি খুব অনুভূতিশীল, সেহেতু অন্যের কটু কথা বা সমালোচনা আপনার উপরে প্রভাব ফেলে দেয়। আপনি ভাবতে শুরু করেন, যদি আপনি তাদেরকে সন্তুষ্ট রাখতে পারেন তবে তারা আপনার সমালোচনা করবে না।

১৩/ কোন একটি ঘরের ভেতর দিয়ে হেঁটে গেলে আপনি তৎক্ষণাৎ সেই ঘরের আবহাওয়া ধরতে পারেন। সহজে বলতে গেলে, আপনার আশেপাশের মানুষদের অনুভূতি আপনি ধরতে ও বুঝতে পারেন। তারা উত্তেজিত হলে আপনিও উত্তেজিত হন, তারা দুশ্চিন্তা করলে আপনিও দুশিন্তা করেন। যে কারণে আপনি সবসময় সকলকে শান্ত করতে চেষ্টা করেন। যেন তাদের অনুভূতি আপনার মাঝেও সংক্রমিত না হয়।

১৪/ আপনি ভালো মানের জিনিসের প্রতি সচেতন। যেটা হতে পারে খাদ্য উপাদান, ভালো জামা-কাপড় অথবা অন্য যে কোন কিছুই। আপনি এই ব্যাপারটা মেনে নিতে যতটাই অপারগ হন না কেন, এটা আপনার কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার। আপনি সুন্দরের মাঝে থাকতে পছন্দ করেন। আপনার রুচি খুবই পরিশীলিত এবং অত্যাধুনিক। তবে আপনি স্বল্প খরুচে। দশটি মাঝারী মানের জামার পরিবর্তে আপনি দুইটি ভালো মানের জামা কিনতেই বেশী ইচ্ছুক।

১৫/ আপনার জীবনের সকল মানুষ সম্পর্কেই আপনি অনেক বেশী যত্নশীল। কিন্তু তারা হয়তো কখনোই আপনার অনুভূতি জানতে পারেননি, কারণ আপনি নিজের অনুভূতিগুলো লুকিয়ে রাখেন। নিজের অনুভূতিগুলো প্রকাশ করতে আপনাকে বেগ পেতে হয়।

১৬/ সাধারণত আপনি ন্যায়বান, চিন্তাশীল ও সচেতন। যারা আপনাকে চেনেন না, তাদের কাছে আপনাকে নিষ্ঠুর বলে মনে হতে পারে।

১৭/ সকলে যখন বিভিন্ন ধরণের গালগপ্প অথবা সেলিব্রিটিদের নিয়ে আলোচনা করতে ব্যস্ত, তখন আপনি নিজে নিজেই অনেক বিষয় নিয়ে চিন্তা করতে থাকেন। বাইরের জগত, টাইম ট্রাভেল, মানুষের চরিত্র ও ধরণ, জীবনের অর্থ প্রভৃতি বিষয়গুলো আপনার মাথায় খেলা করে। এইসকল বিষয় নিয়ে খুব কম সময়েই আলোচনা করেন আপনি। কারণ আপনি ভাবেন, বেশীরভাগ মানুষ আপনাকে বুঝতে পারবে না।

১৮/ নিজের কাজের তালিকা তৈরি করে সেইরূপ কাজ করার প্রতি আপনি অনেক বেশী আগ্রহ বোধ করেন। এক এক করে কাজগুলো শেষ করে চেক করার মাধ্যমে আপনি আনন্দ পান। তবে সকল কাজ শেষ করে ফেলার পরে আপনি খুব বিরক্ত হয়ে পড়েন।

১৯/ কোন বিষয়ে যখন আপনার মাঝে উদ্যম কাজ করে, তখন আপনার পথের মাঝে কোন কিছুই বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না। আইএনএফজের মূলমন্ত্র হচ্ছে- "অসম্ভবকে সম্ভব করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনের চাইতে একটু বেশী সময় প্রয়োজন হয় মাত্র।"

২০/ অন্যান্য মানুষের কাছে আপনি খুব বিচক্ষন, বুদ্ধিমান এবং অনেকটাই আত্ম কেন্দ্রিক ধরণের একজন মানুষ। অনেকেই যে কারণে মানসিক সাহায্য ও উপদেশ পাবার আশায় আপনার কাছে এসে থাকে। এমন সময়ে আপনি খুব বিজ্ঞ একজন মানুষের মতো নিজেকে প্রকাশ করেন, যাকে প্রয়োজনের সময়ে সকলের দরকার হয়। তবে অনেক সময় এইসকল কিছু আপনার পক্ষে কষ্টকর হয়ে ওঠে। যেহেতু আপনি অন্তর্মুখী, সেহেতু আপনার ভেতরে প্রবলভাবে মনে হতে থাকে- কেন সকলেই নিজের সমস্যা নিজেই সমাধান করতে পারে না!
এবার বলুন তো, কয়টি গুণ মিলে গেলো আপনার সাথে?
সূত্র: Introvert dear

শনিবার, ২ ডিসেম্বর, ২০১৭

ফেসবুক নতুন ধরনের ক্যাপচা পরীক্ষা চালাচ্ছে। এর মাধ্যমে মানুষের মুখের ছবি দেখে প্রকৃত ব্যবহারকারী, নাকি সফটওয়্যার, তা ধরার চেষ্টা করছে তারা। ফেস ভেরিফিকেশন পদ্ধতিটি ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।

ফেসবুক ব্যবহারকারী এখন ২০০ কোটির ওপরে। ব্যবহারকারীর নিরাপত্তার বিষয়টিকে এখন বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ভুয়া ও সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলো বন্ধ করতে কাজ শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। বিশেষ করে বট বা সফটওয়্যার সৃষ্ট অ্যাকাউন্টগুলো ধরতে ব্যবস্থা নিচ্ছে। কারও অ্যাকাউন্ট সন্দেহজনক মনে হলে ফেসবুক এখন তা প্রকৃত অ্যাকাউন্টের প্রমাণ চাইছে। মুখের ছবি স্পষ্ট দেখা যায়, এমন ছবি আপলোড করতে বলছে।
ফেসবুক নতুন ধরনের ক্যাপচা পরীক্ষা চালাচ্ছে। এর মাধ্যমে মানুষের মুখের ছবি দেখে প্রকৃত ব্যবহারকারী, নাকি সফটওয়্যার, তা ধরার চেষ্টা করছে তারা। ফেস ভেরিফিকেশন পদ্ধতিটি ব্যবহারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে কর্তৃপক্ষ।
গত মঙ্গলবার টুইটার ব্যবহারকারী ফ্লেক্সলিব্রিস একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেন, যাতে নতুন ভেরিফিকেশন পদ্ধতিটি দেখানো হয়। ওই স্ক্রিনশটে দেখা যায়, পরিচয় শনাক্ত করতে মুখের ছবি স্পষ্ট দেখা যায় এমন ছবি আপলোড করতে বলছে। পরিচয় নিশ্চিত করার পর ছবিটি সার্ভার থেকে মুছে ফেলার কথাও বলা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করে ফেসবুকের এক মুখপাত্র বলেছেন, ছবির ওই পরীক্ষাটি মূলত সন্দেহজনক অ্যাকাউন্টগুলো ধরতে ব্যবহার করা হচ্ছে। বিশেষ করে নতুন অ্যাকাউন্ট খোলার সময়, কারও সঙ্গে যোগাযোগের সময়, নতুন বন্ধুর অনুরোধ করার সময়, বিজ্ঞাপন সংশ্লিষ্ট কাজের সময়েও এ পরীক্ষা দেওয়া লাগতে পারে।
এই পরীক্ষার সময় যে ছবি দেওয়া হবে তা স্বয়ংক্রিয় ও ম্যানুয়াল পরীক্ষা করে দেখা হতে পারে।
গত এপ্রিলেও এ ধরনের ভুয়া অ্যাকাউন্ট ধরার কথা জানিয়েছিল ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশের অনেক ব্যবহারকারী হঠাৎ ফেসবুক বন্ধ পান। ওই সময় বাংলাদেশ থেকে তিন দিনে নয় লাখ অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে যায়।
ফেসবুক ১২ এপ্রিল এক বিবৃতিতে জানায়, ভুয়া অ্যাকাউন্ট ঠেকানোর কার্যকর উপায় হিসেবে ‘স্প্যাম অপারেশন’ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরবসহ অন্য কয়েকটি দেশ থেকে আসা ভুয়া লাইক ও মন্তব্য ঠেকাতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তবে এই কার্যক্রমের মাধ্যমে সব ভুয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা সম্ভব হবে না বলে স্বীকার করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।
ফেসবুক যদি কারও ছবি যাচাই করার জন্য তা চেয়ে বসে তবে ওই সময় অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়। ফলে ব্যবহারকারী আর ফেসবুকে ঢুকতে পারেন না। 
একটি বার্তায় দেখানো হয়, আপনি এখন আর লগ ইন করতে পারবেন না। আপনার ছবি পর্যালোচনা করে দেখে আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে। নিরাপত্তার জন্য এখন আপনি ফেসবুক ব্যবহার করতে পারবেন না।
যাঁদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে বলে সন্দেহ হবে তাঁরা (Facebook.com/hacked) ঠিকানায় যেতে পারেন। তথ্যসূত্র: এনডিটিভি।

বুধবার, ১৫ নভেম্বর, ২০১৭

পৃথিবীতে প্রতিটা মূহুর্তে, কেউ না কেউ, কারো না কারো জন্য অপেক্ষা করে...!

পৃথিবীতে প্রতিটা মূহুর্তে,
কেউ না কেউ,
কারো না কারো জন্য অপেক্ষা করে...!
কেউ বৃষ্টির জন্য...!
কেউ খাবারের জন্য...!
কেউ প্রিয় মানুষটার জন্য...!
কেউ ছোট্টএকটা মেসেজের জন্য,
কিংবা কারো একটা
ফোন কলের জন্য
অথবা এক মূহুর্তের জন্য
কারো কন্ঠ শোনার জন্য...!!
সব অপেক্ষার
শেষটা মধুর হয় না...!
কখনো
কখনো বৃষ্টি নামে...!
কখনো কখনো মেঘগুলো
ভীষণ ধোঁকা দিয়ে যায়...!
বিকেল গড়িয়ে
সন্ধ্যা নামে...!
পশ্চিমের আকাশে সূর্যটা
টুপ করে ডুবে যায়...!
কেউ কেউ তখনো আকাশের
দিকে তাকিয়ে অপেক্ষা করে...!
হয়তো আসবে - এই আশায়...!
এক সময় মাথার ওপরে
একটা বিশাল চাঁদ ওঠে...!
চাঁদের রূপালি আলো
ঐ মানুষটার মুখের উপর এসে পড়ে...!
ক্লান্ত মানুষটা অপেক্ষা
করতে করতে তখন ঘুমিয়ে পড়েছে...!
তার অপেক্ষা কিন্তু শেষ হয় নি...!
এবার সে চোখ বুজে অপেক্ষা করছে...!
হয়তো সে স্বপ্নে আসবে।
কিন্তু সে বড় নিষ্ঠুর স্বপ্নেও আসে না।


মঙ্গলবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৭

মানুষের জীবনধারার সাথে বৃক্ষের জীবনধারার বড্ড বেশী সাদৃশ্য। চর্মচক্ষুকে বড় না ভেবে ।

মানুষের জীবনধারার সাথে বৃক্ষের জীবনধারার বড্ড বেশী সাদৃশ্য।
চর্মচক্ষুকে বড় না ভেবে
কল্পনা আর অনুভূতির চোখকে বড় করে তুললে জীবনের তাৎপর্যটা আমরা খুব সহজেই অনুধাবন করতে পারি।
বৃক্ষের জীবনের গতি ও বিকাশকে উপলব্ধি করা দরকার
নইলে আমাদের জীবনের সার্থকতা আর পরিপূর্ণতার ছবি চোখের সামনে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব নয়।
মাটির রস টেনে নিজেকে মোটাতাজা করাতেই বৃক্ষের কাজের পরিসমাপ্তি নয়,
তাকে ফুল ফোটাতে হয়, ফল ধরাতে হয়।
নইলে তার জীবন অসম্পূর্ণ থেকে যায়।
মানুষের ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই।
প্রতিটা দিন
লড়াই করে নিজেকে বাঁচিয়ে রাখার মানেই বেঁচে থাকা নয়।
জীবনকে বৃক্ষের মতো ফলে ফুলে সাজানো দরকার কিছু উপলব্ধি আর কিছু ভাল কাজের দ্বারা যা আমাদেরকে বাঁচিয়ে রাখে অন্তত কাল।
কখনো কখনো প্রবল ঝড় হয়, ক্ষতিগ্রস্ত হয় অনেক বৃক্ষ।
কিন্তু তা ক্ষনিক সময়ের জন্য।
অবশেষে ঝড় থেমে যায় আর প্রশান্তির প্রতিকরুপে কাজ করে সেই বৃক্ষগুলোই।
আমাদের ক্ষেত্রেও তাই।
ঝড় তো আসবেই আর এটাই প্রকৃতির নিয়ম।
সেই ঝড়ে ভেঙে না পরে একটু নিজের প্রাপ্তিগুলোর মহিমা নিয়ে বেঁচে থাকাটা কী অনেক বেশি কঠিন ?
ঝড় তো ক্ষনিকের, পরক্ষণে আমরাই তো স্নিগ্ধতার প্রতীক।
তবে কেন এতো দোটানা আমাদের বেঁচে থাকা নিয়ে?
আমরা কী কালো কিংবা রঙিন চশমায় আবৃত যার জন্য প্রকৃতির ধারন করা এই বেঁচে থাকার উদাহরণগুলো আমাদের চোখে পরে না ।
সব কিছুর উদ্ধে আমাদের নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে,
আর এটাই পৃথিবীর বুকে সবচেয়ে বড় অর্জন।
শুধু বেঁচে থাকলেও জীবনে অনেক কিছুই হয়।
হেরে যাওয়ার জন্য আমাদের জন্ম নয়,
আমাদের জন্ম জয়ী হওয়ার জন্য,
,সুতরাং আমার বাঁচবো।
জীবনকে বুঝিয়ে দেয়া উচিত আমরা কতটা তেজস্বী আমরা কতটা বলবান।
সুতরাং সম্মান নিয়ে বেঁচে থাকার চেষ্টা করুন জীবনের শেষ সূর্যাস্ত পর্যন্ত।
জীবনের কাছে হেরে গিয়ে মৃত্যুবরন করা কাপুরুষতার বহিঃপ্রকাশ।
কিন্তু আমরা তো তা নই, সর্বপরি আমরা মানুষ,
আমরাই সেরা।

আমাদের বেঁচে থাকাটাও সেই সেরকম কিছু সেরার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করাই আমাদের লক্ষ্য।
ঐকান্তিকতায় পরিপূর্ণ হোক প্রতিটি মানুষের বেঁচে থাকা এই প্রত্যাশায় আমি।
_______________________আব্দুল মালেক শুভ

বিশ্ব ভ্রমান্ড অস্ত যায় না তোমার আমার ইশারায় শ্রেষ্টত্ব নিয়ে বাজী ধরো নগণ্য অস্হিত্ব নীল নয়

বিশ্ব ভ্রমান্ড অস্ত যায় না তোমার আমার ইশারায় শ্রেষ্টত্ব নিয়ে বাজী ধরো নগণ্য অস্হিত্ব নীল নয়
জ্ঞান আর বুদ্ধির অহমিকায় ভুলে গেছ অবকাশ ক্ষমতার ভোগের লিপ্সায় পাহারসম সহবাস
আমি নিজেকে দেই সস্থি তোমার জন্যে শান্তি বিশ্ব জগতে ক্ষীয় অবকাশ,
আমি নিজেকে দেই সস্থি তোমার জন্যে শান্তি বিশ্ব জগতে ক্ষীয় অবকাশ ।
প্রশ্ন নেই, উত্তর নেই! আর আমার অহকাশ স্থূবিরতায় অবকাশ
কর্মযোগ্যে বিশাল প্রতিভা কোন মৃত্তিকায় তৈরি আমি কেউ তা বোঝেনা
ব্যাপ্তি আমার ঊর্ধ্ব গগণে মেঘের সাথে শয়নে জ্ঞান আর বুদ্ধির অহমিকায় ভুলে গেছ অবকাশ
ক্ষমতার ভোগের লিপ্সায় পাহারসম সহবাস আমি নিজেকে দেই সস্থি তোমার জন্যে শান্তি বিশ্ব জগতে ক্ষীয় অবকাশ,
আমি নিজেকে দেই সস্থি তোমার জন্যে শান্তি বিশ্ব জগতে ক্ষীয় অবকাশ,
আমি নিজেকে দেই সস্থি তোমার জন্যে শান্তি বিশ্ব জগতে ক্ষীয় অবকাশ,
আমি নিজেকে দেই সস্থি তোমার জন্যে শান্তি বিশ্ব জগতে ক্ষীয় অবকাশ ।

শুক্রবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৭

অভিমানী দুচোখ , কতদিন তোমায় দেখে না , অস্থির আবরনে পুড়ে যায় ,তবু একা । অভিমানী এ মন ।

অভিমানী দুচোখ ,কতদিন তোমায় দেখে না ,অস্থির আবরনে পুড়ে যায় ,তবু একা ।অভিমানী এ মন ,তোমার স্মৃতিতে আজো কাতর ,ব্যস্ত আমি ভুলে যাচ্ছি দেখো তোমায় ।অভিমান আমার ,কখনো অন্ধকার ঘরে একা ,অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম ,তা তোমার কখনো হবে না ।


অভিমান আমার,কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত ,ধুম্রজালে এ ঠোট ,এ ঠোট আর তোমার হবে না ।ভয় পেয়ও না, ফিরে তাকাবো না ,কখনো আর ডাকবো না ।অভিমান আমার ,কখনো অন্ধকার ঘরে একা ,অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম ,তা তোমার কখনো হবে না ।অভিমান আমার,কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত ,ধুম্রজালে এ ঠোট ,এ ঠোট আর তোমার হবে না ।বর্ষপঞ্জিকার ছেড়া পাতায়,দাগ কাটা দিন গুলোতে ,একটু খানি সময় শুধু বাঁধা ,এতোটুকুই দেবো তোমায় ,এর বেশি একটু নয় ,নিয়ম করেই এতোটুকুই তুমি আমার ।অভিমান আমার ,কখনো অন্ধকার ঘরে একা ,অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম ,তা তোমার কখনো হবে না ।অভিমান আমার,কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত ,ধুম্রজালে এ ঠোট ,এ ঠোট আর তোমার হবে না ।লাল শাড়িটা তুমি আমার জন্যে পড়লে না,আমার নামের পদবীটা নিলে না ।অভিমান আমার ,কখনো অন্ধকার ঘরে একা ,অশ্রুসজল এ চোখে যে প্রেম ,তা তোমার কখনো হবে না ।অভিমান আমার,কখনো বালিশে চাপা এ দীর্ঘ রাত ,ধুম্রজালে এ ঠোট ,এ ঠোট আর তোমার হবে না ।

শনিবার, ২৮ অক্টোবর, ২০১৭

যতবার তোকে দেখি তোর জন্য প্রতি স্পন্দনে প্রার্থনা করি কি করে বলবো বল


কি করে বলবো বল তুই আজো আমায় ভালোবাসিস
প্রেমে পরি নতুন করে যত বার তোকে দেখি তোর জন্য প্রতি স্পন্দনে প্রার্থনা করি কি করে বলবো বল তুই কি আমার কথা আজো ভাবিস এক বর্ষার সকালে ভিজে তুই হাটছিলি আনমনে পাশ থেকে এসে তোর জন্য ছাতা টা ধরে প্রথম একসাথে ট্রামে চড়া পাশে বসে প্রথম হাতটা ধরা কলেজের প্র সন্ধ্যে বেলা এক সাথে সিনেমায় যাওয়া হঠাত তোর দেষ ছেড়ে যাওয়া শেষ বিদায় তোর এসে না বলা তোর সাথে শেষ তোলা ছবির স্মৃতি নিয়ে বেচে থাকা আমাদের দশম বার্ষিকীতেও তোকে না ভুলতে পারা কি করে বলবো বল তুই আজো আমায় ভালোবাসিস প্রেমে পরি নতুন করে যতবার তোকে দেখি তোর জন্য প্রতি স্পন্দনে প্রার্থনা করি কি করে বলবো বল তুই কি আমার কথা আজো ভাবিস বলেছিলি যতন করে রাখবি পাপড়ি গুলো ডায়রির ভাজে, তোর সাজ ঘরে কিছু মনে করবো না আমি যদি বলিস তুই আরো কারো সাথে সুখী ত্যাগ করতে রাজি যদি ফুটে তোর মুখে একটু হাসি শুধু জানতে চায় রেখেছিস মনে কি হেরে যায়নি আমাদের ভালোবাসা দূরত্বের অধীন বুক ফেটে আসে রোজ বেদনা সীমাহীন তোকে না ভেবে একটাও দিন কাটানো বেশ কঠিন কি করে বলবো বল তুই আজো আমায় ভালোবাসিস প্রেমে পরি নতুন করে যত বার তোকে দেখি তোর জন্য প্রতি স্পন্দনে প্রার্থনা করি কি করে বলবো বল তুই কি আমার কথা আজো ভাবিস

সোমবার, ২৩ অক্টোবর, ২০১৭

Tell Me Who Knows You Better Than I Do

Dose he Know. You Still Spoke Me Through 
Your Heart Everyday In shine and Grey.
-
Just The Way I Still Do Solitary in The Night 
Smiles Without Realizing
-

We Shall Meet Again Reminiscence. 
-
Would Sit & Smile After A Call Your Name .
-
Tell Me Who Knows You Better Than I Do.
It' Been So Long.
-
I've Not Seen You.
I Long For Waiting You.
-
Then Back Home We Shall Discuss Together.
-
All The Qualms Of Your Heart.
-
Tell Me Who Knows You Better Than I Do.
-
If Ever Cross Your Mind Do Aks How Am I Doing.
-
The First Sight Of You Used To Set My Day.
-
In Everything I Do I Dream Of You.
-
I Smile After I Call Your Name.
-
Tell Me Who Knows You Better Than I Do.
LikeShow more reactions