বৃহস্পতিবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

সকল শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলী

সালাম সালাম হাজার সালাম
সকল শহীদ স্মরণে,
আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই
তাদের স্মৃতির চরণে।।
মায়ের ভাষায় কথা বলাতে
স্বাধীন আশায় পথ চলাতে
হাসিমুখে যারা দিয়ে গেল প্রাণ
সেই স্মৃতি নিয়ে গেয়ে যাই গান
তাদের বিজয় মরণে,
আমার হৃদয় রেখে যেতে চাই
তাদের স্মৃতির চরণে।।

সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৬

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সম্পর্কিত সংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলী

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রূপকার কে?

উত্তরঃ চিএশিল্পী কামরুল হাসান।

প্রশ্নঃ জাতীয় পতাকার নকশা প্রথম কে কোথায় তৈরি করেন?

উত্তরঃ শিব নারায়ণ দাস এবং ইউসুফ সালাউদ্দিকে নিয়ে সানাউল হক ইনু প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের শেরে বাংলাহলের ৪০১ নং রুমে।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় কবে?

উত্তরঃ ২ মার্চ, ১৯৭১সালে।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে জ্‌তীয় পতাকা দিবস কবে পালিত হয়?

উত্তরঃ ২ রা মার্চ।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম কোথায় উত্তোলন করা হয়?

উত্তরঃ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাএ সভায়।

প্রশ্নঃ কে প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন?

উত্তরঃ ডাকসু ভি পি আ স ম আবদুল রব।

প্রশ্নঃ শেখ মুজিবুর রহমান কোথায় প্রথম বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন?

উত্তরঃ ধানমন্ডিস্থ নিজ বাস ভবনে ২৩ মার্চ, ১৯৭১।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের বাইরে কোথায় সর্ব প্রথম বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়?উত্তরঃ কলকাতা' পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনে।

প্রশ্নঃ কলকাতা হাইকমিশনে কে কবে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন?

উত্তরঃ ১৯৭১ সালের ১৮ই এপ্রিল কলকাতা পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনারের প্রধান জনাব এম, হোসেন আলী।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার রঙ কি?

উত্তরঃ গাঢ় সবুজের মাঝে লাল বৃত্ত।

প্রশ্নঃ প্রথম দিকে বাংলাদেশের পতাকার লাল বৃত্তের মধ্যে কিসের প্রতীক?

উত্তরঃ রসানালী রঙের বাংলাদেশের মানচিএ।

প্রশ্নঃ জাতীয় পতাকার রং এবং বৃত্তের তাৎপর্য কি?

উত্তরঃ লাল রঙের ভরাট বৃত্তটি রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে ছিনিয়ে আনা স্বাধীনতার নতুন সূর্যের প্রতীক । উজ্জল ঘন সবুজ তারুণ্যের উদ্দীপনা ও বিস্তৃত গ্রাম বাংলার প্রতীক।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের পতাকার সাথে কোন দেশের পতাকার মিল রয়েছে ?

উত্তরঃ জাপন ও পালাউ।

প্রশ্নঃ আমার সোনার বাংলা প্রথম গাওয়ার সাথে জাতীয় পতাকা কবে ও কোথায় উত্তোলন করা হয়?

উত্তরঃ ৩রা, মার্চ ১৯৭১ , পল্টন ৯ঢাকা)।

প্রশ্নঃ মানচিএ খচিত বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে ছিলেন?

উত্তরঃ শিব নারায়ণ দাস।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মানচিএ প্রথম কে আঁকেন?

উত্তরঃ মেজর জেমস রেনেল।

প্রশ্নঃ জাতীয় পতাকা সর্ব প্রথম কবে আনুষ্ঠানিকভাবে উত্তোলন করা হয়?

উত্তরঃ ২৩শে মার্চ ১৯৭১।

প্রশ্নঃ কোন কোন দিবসে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়?

উত্তরঃ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস , বিজয় দিবস, বিপ্লব ও সংহিত দিবস, গণপ্রজাতন্তী বাংলাদেশে সরকার 

কর্তৃকঘোষিত অন্য যে কোন দিবসে।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ ও প্রস্তের অনুপাত কত?

উত্তরঃ ১০: ৬।

প্রশ্নঃ বাস ভবন ,নৌযান, গাড়ি ও বিমানে কে কে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারেন?

উত্তরঃ রাষ্ট্রপ্রতি ও প্রধানমন্ত্রী।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের কতটি মর্যাদাসমপন্ন পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের বাসভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়?

উত্তরঃ ১৫টি।

প্রশ্নঃ কোন মর্যাদা সমপন্ন পদে অধিষ্ঠিত ব্যাক্তিদের বাস ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়?

উত্তরঃ রাষ্ট্রপ্রতি, প্রধান মন্তী ,স্পিকার, প্রধান বিচারপ্রতি, মন্তী চিপহুইপ, ডেপটি স্পিকার, বিরোধী দলের নেতা, মন্তীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, প্রতিমন্তী, প্রতিমন্তীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, উপমন্তী, উপমন্তীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, বিদেশে বাংলাদেশের কুটনীতিক এবং তিন পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে কতটি মর্যাদা সমপন্ন পদে অধিষ্ঠিত ব্যাক্তি গাড়ি ও জলযানে জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারে?উত্তঃ ১০টি।

প্রশ্নঃ কোন কোন মর্যাদা সমপন্ন পদে ব্যাক্তিগণ গাড়ি বা জলযানে পতাকা ব্যবহার করতে পারে?

উত্তরঃ রাষ্ট্রপ্রতি, প্রধানমন্তী , স্পিকার, প্রধান বিচারপ্রতি, মন্তী, বিরোধী দলীয় নেতা, চীপহুইপ, ডেপুটি স্পিকার, মন্তীর মর্যাদা সমপন্ন ব্যাক্তি, বিদেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের কুটনীতিকগন।

জাতীয় পতাকা প্রত্যেক দেশের নিজস্ব প্রতীক-স্বরূপ

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা সবুজ আয়তক্ষেত্রের মধ্যে লাল বৃত্ত। সবুজ রং বাংলাদেশের সবুজ প্রকৃতি ও তারুণ্যের প্রতীক, বৃত্তের লাল রং উদীয়মান সূর্য, স্বাধীনতা যুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীদের রক্তের প্রতীক। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার এই রূপটি ১৯৭২সালের ১৭ জানুয়ারি সরকারীভাবে গৃহীত হয়।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধেরসময় প্রায় একই রকম দেখতে একটি পতাকা ব্যবহার করা হতো, যেখানে মাঝের লাল বৃত্তের ভেতর হলুদ রংয়ের একটি মানচিত্র ছিল। ১২ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশের পতাকা থেকে মানচিত্রটি সরিয়ে ফেলা হয়।[১] পতাকার উভয় পাশে সঠিকভাবে মানচিত্রটি ফুটিয়ে তোলার অসুবিধা পতাকা থেকে মানচিত্রটি সরিয়ে ফেলার অন্যতম কারণ

জাতীয় পতাকা প্রত্যেক দেশের নিজস্ব প্রতীক-স্বরূপ, জাতীয় অনুষ্ঠানে প্রতিটি দেশের মানুষ স্বতন্ত্র জাতীয় পতাকা ব্যবহার করেন। সাধারণ মানুষ, বিদ্যালয়, আদালত সবাই যে কোনো সময় জাতীয় পতাকা ব্যবহার করতে পারে। তবে কিছু কিছু দেশে অসামরিক ভবনে শুধুমাত্র কিছু নির্দিষ্ট দিনেই ওড়ানো যায়। সুস্পষ্ট তিন ধরণের জাতীয় পতাকা জলে ও স্থলে ব্যবহৃত হয়। যদিও অনেক দেশে একই পতাকা সব ধরণের ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়।

শনিবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০১৬

নতুন করে Google Searching Box And সকল Searching Engine খুজে পাবেন আমাকে

আপনি আমকে যে ভাবে খুঝে পাবেন.
  Name Abdul Malek Shuvo
Google Searching Box
Facebook Searching Box
Youtueb Searching Box
Instagarm Searching  Box
Twitter  Searching  Box
E.T.C

মানুষ কখনো ইচ্ছে করে বদলায় না কিছু মানুষের অবহেলা, কিছু স্মৃতি

মানুষ কখনো ইচ্ছে করে বদলায় না।
কিছু মানুষের অবহেলা, কিছু স্মৃতি এবং
কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি ও সময়
মানুষ কে বদলে যেতে বাধ্য করে..... :(

সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬

শুভ শুভ জন্মদিন বি এন পি জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কর্নেল আনোয়ারুল আজিম

শুভ শুভ শুভ দিন

আগামী ৩১ ডিসেম্বর  জন্মদিন 
কর্নেল অবঃ এম আনোয়ারুল আজিম ভাইয়ের ৭০ তম জন্মদিন।

বি এন পি জাতীয় নির্বাহী কমিটির কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও কুমিল্লা ০৯ লাকসাম-মনোহরগঞ্জের সাবেক সফল সংসদ সদস্য আমার শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি,দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আস্থাভাজন কর্নেল অবঃ এম আনোয়ারুল আজিম ভাইয়ের ৭০তম জন্মদিনে সংগ্রামী শুভেচ্ছা ও প্রাণঢালা অভিনন্দন।

আল্লাহ আজিম ভাইকে নেক হায়াত দান করুন "আমিন"।

রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬

শুবলং ঝরনাঃ ঝুলন্ত ব্রিজঃ রাঙ্গামাটির অন্যতম সুন্দর দর্শনীয় স্থান

সুবলং ঝরনাঃ ঝুলন্ত ব্রিজঃ
রাঙ্গামাটির অন্যতম সুন্দর দর্শনীয় স্থান এটি। চমৎকার একটি জলপ্রপাত এই স্থানকে দিয়েছে ভিন্ন একটি চরিত্র। রাঙ্গামাটি শহর থেকে ১০-১২ কিলোমিটার দূরে অবসথিত মনোরম এই ঝরনাটি। এ ঝর্নার রূপ আপনাকে মোটেও আশাহত করবে না। সময়টি যদি হয় বর্ষাকাল তবে আপনি সত্যিই ভাগ্যবান বলতে হবে। কেননা এই সময় ঝর্না হয়ে উঠে নবযৌবনা, সয়ম্বরা। অপলক দৃষ্টিতে সে ঝর্নার রূপ আপনি দেখবেন সম্মোহিত হয়। এই স্থানটি বেশ সাজানো গোছানো। ফুলের বাগান, উচু বসার স্থান এবং হাটার জন্য ব্রিজ ও রাস্তা আপনাকে বিমোহিত করবে। ঝর্নাস্নান কিংবা দর্শন শেষে আপনি সামনে এগিয়ে গেলে পাবেন সুবলং বাজার। হ্রদের তীরে অবস্থিত স্থানীয় এই বাজারে রয়েছে একটি সেনা ক্যাম্প। বাজারটি একেবারে ছোট নয়। এখানকার খাবার বেশ সুস্বাদু। দুপুরের খাবারটি চাইলে এখানে সেরে নিতে পারেন। হ্রদ থেকে ধরা মাছের ঝোল আর আলুভর্তা রসনা বিলাসের জন্য মন্দ নয়। তবে সাবধান- এই এলাকায় প্রায়শই বন্য হাতির হামলা হয়ে থাকে। তাই চোখ কান একটু খোলা রাখাই শ্রেয়।
ঝুলন্ত ব্রিজ ও পর্যটন মোটেলঃ
রাঙ্গামাটি শহরের শেষ প্রান্তে কাপ্তাই হ্রদের তীর ঘেঁষে অবস্থিত সরকরি পর্যটন মোটেল। পর্যটকদের জন্য খুবই দৃষ্টিকাড়া ও আকর্ষনীয় স্থান এটি।
পর্যটন মোটেলেই অবস্থিত ঝুলন্ত ব্রিজটি, যা পর্যটন এলাকাকে আরও বেশি সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দিত করেছে। সহজেই পর্যটকদের দৃষ্টি কাড়ে এটি। পর্যটকদের প্রধান আকর্ষনের কারনে এবং এর নির্মানশৈলির কারনে ঝুলন্ত ব্রিজ আজ রাঙ্গামাটির নিদর্শন হয়ে দাড়িয়ে আছে।

ফেসবুকের নিরাপত্তায় এখনই মুছে ফেলুন এই তথ্যগুলো

আমরা সবাই চাই আমাদের ফেসবুককে নিরাপদ রাখতে। কিন্তু অনেক বিশয় আছে, যা মেনে না চলার কারণে আমাদের ফেসবুক হতে পারে অন্য কারো। কিছু জিনিস অবশ্যই...