বর্তমান অবৈধ এবং লুটেরা
সন্ত্রাসী সরকার অবৈধ পন্থায়
জাতির ঘাড়ে চেপে বসার পর
স্বৈরতান্ত্রিক আচরণের মাধ্যমে
দুর্নীতিবাজ ও ক্ষমতালোভী
মন্ত্রী-এমপি ও আইন শৃঙ্খলা
বাহিনীর কর্তাব্যক্তিরা
প্রতিনিয়ত জনগণের আন্দোলন ও
গণদাবী নিয়ে কটুক্তি ও নির্জলা
মিথ্যাচারের আশ্রয় নিয়ে বক্তব্য
দিয়ে যাচ্ছেন। আমরা স্পষ্ট
ভাষায় বলতে চাই-খাঁচায় বন্দী
সিংহের গায়ে খোঁচা দেয়া যত
সহজ, মুক্ত সিংহের গায়ে খোঁচা
দেয়া ততো সহজ নয়। অবৈধ ও বাকশালী
পন্থায় ক্ষমতায় থেকে জনগণের
সাথে মশকরা না করে গণদাবী
অনুযায়ী নির্দলীয় নিরপেক্ষ
সরকার ব্যবস্থার অধীনে জাতীয়
নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা
করে গণমানুষের কাতারে আসুন, তখন
দেখবেন জনরোষের আগ্নেয়গিরি ও
স্ফুলিঙ্গের দহনে কিভাবে
আপনাদের ক্ষমতার মসনদ জ্বলে পুড়ে
ধুলায় মিশিয়ে যায়। এখনও সময় আছে-
আলোচনার মাধ্যমে জাতীয় এই
মহাসংকট উত্তরণে উদ্যোগী হোন,
মানুষের বাক-ব্যক্তি
স্বাধীনতাসহ সকল গণতান্ত্রিক
অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে দেশে
স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনুন।
অন্যথায় ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধের
চেতনায় উদ্দীপ্ত হয়ে জনগণ তাদের
দাবী আদায়ে যেকোনো ত্যাগ
স্বীকারে প্রস্তুত রয়েছে। http://abdulmalekshuvo.blogspot.com/2015/03/blog-post_50.html
জীবনকে সঠিক পথে পরিচালনা করা একটি দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া, যার জন্য প্রয়োজন ধৈর্য, শৃঙ্খলা এবং সঠিক মানসিকতা। আপনার জীবনকে সুন্দর ও সুশৃঙ্খলভাবে সাজানোর জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি ও নির্দেশিকা আমি নিচে একটি ফাইলে বিস্তারিতভাবে তুলে ধরছি।
জীবনকে একটি নির্দিষ্ট এবং সঠিক পথে পরিচালিত করার জন্য প্রয়োজন সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা এবং মানসিক দৃঢ়তা সচ্ছতা ও ইসলামের পরিপূর্ণ আমল আখলাক ও ঈমান ঠিক রেখে চলা । নিচে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ এবং তার পেছনের যুক্তিগুলো উপস্থাপন করা হলো: ১. আত্ম-উপলব্ধি এবং লক্ষ্য নির্ধারণ (Self-Realization & Goal Setting) যুক্তি: গন্তব্য না জানলে যেমন পথে নামা অর্থহীন, তেমনি লক্ষ্য ছাড়া জীবন চালানোও বিভ্রান্তিকর। • করণীয়: নিজেকে প্রশ্ন করুন—আপনি জীবনে কী চান? ৫ বছর বা ১০ বছর পর নিজেকে কোথায় দেখতে চান? • পদ্ধতি: আপনার লক্ষ্যগুলোকে ছোট ছোট ভাগে ভাগ করুন (যেমন: মাসিক লক্ষ্য, বাৎসরিক লক্ষ্য) এবং তা অর্জনের জন্য প্রতিদিন কাজ করুন। ২. সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা ( Time Management ) যুক্তি: সময়ই একমাত্র সম্পদ যা একবার চলে গেলে আর ফিরে আসে না। সঠিক পথে থাকার মূল চাবিকাঠি হলো সময়ের সদ্ব্যবহার। • করণীয়: একটি দৈনিক রুটিন তৈরি করুন। • পদ্ধতি: 'প্রায়োরিটি ম্যাট্রিক্স' ব্যবহার করুন। অর্থাৎ, কোন কাজটি 'জরুরি' এবং কোনটি 'গুরুত্বপূর্ণ' তা আলাদা করে কাজ করুন। সোশ্যাল মিডিয়া বা অযথা আড্ড...
মন্তব্যসমূহ